
স্ক্যাবিসের জন্য রুকইয়া
আনাস রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু থেকে বর্ণিত,
“ জ্বর, বদ-নজর ও ব্রণ-ফুসকুড়ি (ক্ষুদ্র ফোঁড়া) ইত্যাদি ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রুকইয়ার সম্মতি প্রদান করেছেন। ” [সহীহ, মুসলিম]
আনাস ইবনু মালিক রাদিআল্লাহু তাআ'লা আনহু হতে বর্ণিত আছে, জ্বর ও ফুসকুড়ির ক্ষেত্রে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রুকইয়ার সম্মতি প্রদান করেছেন। [ জামে' আত-তিরমিজি, হাদিস নং ২০৫৬, হাদিসের মান: সহিহ হাদিস ]
উক্ত হাদীসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম نملة শব্দ ব্যবহার করেছেন। যার মূল অর্থ হলো ক্ষুদ্র আকৃতির গুটি।
গুটি হয় এমন কয়েকটি রোগের নাম নিচে দেয়া হলো হলো :
১. ব্রণ
২. এলার্জি
৩. ছোট ছোট ফোঁড়া
৪. স্ক্যাবিস
৫. রুবেলা
৬. চিকেনপক্স
৭. ফোড়া
৮. ইমপেটিগো ( বাচ্চাদের বেশি হয়)
এই সমস্যাগুলোর জন্য কেউ যদি রুকইয়া করে আশা করা যায় তা ফলপ্রসূ হবে।
কিভাবে করবেন!
(i) কুরআনের যতটুকু পারেন ততটুকুই ১৫/২০ মিনিট তিলওয়াত করে রুগীর উপর থুতু মিশ্রিত ফু দেয়া।
(ii) আক্রান্ত স্থানে ১৫/২০ মিনিট বদনজর সহ অন্যান্য আয়াত পড়ে মুখ থেকে লালা লাগিয়ে দেয়া। তবে এটা সতর্কতার সাথে করতে হবে। অনেকসময় লালা লাগালে সেকেন্ডারি ইনফেকশন হয়। তবে গুটি ফোড়ায় লালার আমল কার্যকরী এবং পরিক্ষিত।
(iii) একটা বালতিতে ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, ইখলাস, ফালাক, নাস ৭ বার করে পড়ে ফু দিয়ে গোসল করা।
(iv) শাইখ খালিদ আল হিবশীর বদনজর এর তিলওয়াত ইউটিউব থেকে নিয়মিত শোনা। Evil Eye By Sheikh Khalid Al hibshi লিখে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন।
[ বি দ্র: আমরা কাউকে বলিনা এসব সমস্যার জন্য শুধু রুকইয়া নিতে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া অবশ্যই জরুরী। সম্মিলিত ট্রিটমেন্টে পেশেন্ট আল্লাহর ইচ্ছায় দ্রত সুস্থ হয়ে উঠবে ইন শা আল্লাহ ]