বোবায় ধরলে ও দুঃস্বপ্ন দেখলে করণীয়

বোবায় ধরলে ও দুঃস্বপ্ন দেখলে করণীয়

Abdur Rahman
২৩ জুন, ২০২৬
Jinn

১. ঘুমের নির্দিষ্ট সময় মেনে চলুন। রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘুমের সাধারণ রুটিন মেইনটেইন করতেন। তিনি ঈশার পর দ্রুত ঘুমিয়ে যেতেন এবং তাহাজ্জুদের আগেই উঠে যেতেন। তিনি রাতে দীর্ঘ সালাত আদায় করতেন। আবার দ্বিপ্রহরে সামন্য বিশ্রাম নিতেন।

২. স্বপ্ন সুসংবাদ বা দুঃসংবাদ যাই হোক, তা মানুষকে বলে বেড়াবেন না। ইয়াকূব আলাইহিস সালাম ইউসুফ আলাইহিস সালাম-কে সূরা ইউসুফে আলোচিত সুসংবাদ স্বপ্নটি ভাইদের বলতে নিষেধ করেছিলেন। ইউসুফ আলাইহিস সালাম স্বপ্ন দেখেছিলেন-চাদঁ, সূর্য ও এগারোটা তারা তাঁকে সাজদা করছে। অপরদিকে রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদীসে দুঃস্বপ্ন বলতে নিষেধ করেছেন।

৩. দুঃস্বপ্ন দেখলে বিতাড়িত শয়তান থেকে পানাহ চান এবং বলুন-আউযু বিল্লাহি মিনাশ শায়তানির রাজীম। তারপর বাম দিকে তিনবার সামান্য থুথু ছিটান। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি সাল্লাম বলেন,

'সে যেন তার বাম দিকে থুথু দেয়'

৪. ওজু অবস্থায় ডান দিকে কাত হয়ে ঘুমের দুআ পড়ে ঘুমাবেন। বিছানায় যেয়ে আয়াতুল কুরসি, সূরা ইখলাস, সূরা ফালাক ও সূরা নাস পড়ে মুষ্টিবদ্ধ হাতে ফুঁ দিয়ে সারা শরীর মাসেহ করুন।

৫. বোবায় ধরা সমস্যাটা সাময়িক। কিন্তু যদি এটা ঘন-ঘন হতে থাকে এবং কোনও শারীরিক বা মানসিক সমস্যার জন্ম দেয়, তা হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।

৬. এক-দুদিন দুঃস্বপ্ন দেখা স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু যদি এ ধরনের স্বপ্ন সচরাচরই দেখতে থাকেন, তবে রুকইয়া করুন এবং সমস্যা নির্ণয়ে যত্নবান হোন।

৭. নিশ্চিত হোন, আপনার স্বপ্ন সারা দিনের কল্পনার ইম্প্যাক্ট কি না। অহেতুক কল্পনা, অবান্তর অলীক কল্পনা এবং মন্দ-কল্পনা এড়িয়ে চলুন। মন্দ-কল্পনা এলে আউযু বিল্লাহ পড়ুন এবং বলুন-
لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ