হারাম এডিকশনে জ্বিন পজেশন

হারাম এডিকশনে জ্বিন পজেশন

Abdur Rahman
২৫ জুন, ২০২৬
Jinn

জ্বিন মানুষের উপর যে কয়েকটা সময়ে প্রভাব বিস্তার করে তার মধ্যে একটা হলো, হারাম কোন বিষয়ে বুদ (Addicted) হয়ে থাকলে। এডিকশনের মধ্যে বিশেষভাবে মদ্যপান ও প*র্ণো*গ্রাফি দেখা জ্বিন দ্বারা পজেসড হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ।

জ্বিনেরা চাইলেই মানুষের উপর পজেস করতে পারেনা, তারা সুযোগ সন্ধানী হয়ে থাকে। শাইত্বানদের সবচেয়ে পছন্দের কাজসমূহের একটি হলো অশ্লীলতা। একারণে বাবা আদম আলাইহিস সালাম থেকে শুরু করে প্রত্যেক যামানায় শাইত্বান অশ্লীলতার মাধ্যমে মানুষকে গোমরাহ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে। কত বড় বড় ইবাদতগুজার হারিয়ে গেছেন এই ফাদে পড়ে।

আমরা আমাদের অভিজ্ঞতায় পেয়েছি, যারা প*র্ণো*গ্রাফি এডিক্টেড তাদের অধিকাংশই জ্বিন দ্বারা পজেসড। এমন নয় যে, আক্রান্ত হওয়ার কারণে সে এডিক্টেড। বরং, এডিক্টেড হওয়ার কারণেই সে আক্রান্ত হয়েছে। এটা কোন তত্ত্ব না বরং বাস্তবতা।

জ্বিনেরা ওই জায়গাগুলোতেই থাকতে পছন্দ করে, যেখানে হারাম কাজ হয়, লজ্জাস্থান উন্মোচিত হয়। উদাহরনস্বরুপ, টয়লেটে প্রবেশের দোয়াতে দেখি, শাইত্বন থেকে আশ্রয় চেয়ে প্রবেশ করছি। অন্য দিকে আল্লাহর যিকর করা হলে শাইত্বান সেখান থেকে পালায়। অর্থাৎ, টয়লেটে প্রবেশের সময় যখন আমরা দোয়া পড়লাম, শয়তান তার অবস্থান হারিয়ে ফেললো।

ডোপামিনের এই যুগে আমাদেরকে বিশেষভাবে প্রযুক্তির সাথে সম্পর্কিত হারাম সকল ইন্সট্রুমেন্ট থেকে দূরে থাকতে হবে, বিশেষ করে অশ্লীলতা থেকে। শাইত্বান প্রত্যেক যুগেই কায়দা তথা কৌশল করে থাকে। যুগে যুগে মানুষদের পথভ্রষ্ট করার সবচেয়ে বড় মাধ্যম হলো অশ্লিলতা। আর বর্তমান এই প্রযুক্তির মাধ্যমে শাইত্বান তার অশ্লিলতাসহ মানুষকে নিয়ন্ত্রনের জাল বিছিয়ে রেখেছে।