থাইরয়েড লক্ষণ মিলে, মেডিকেল রিপোর্ট নরমাল

থাইরয়েড লক্ষণ মিলে, মেডিকেল রিপোর্ট নরমাল

Abdur Rahman
১ আগস্ট, ২০২৬
Jinn

আপনার থাইরয়েড ইম্ব্যালেন্স এর সব সিম্পটম মিলে যায় কিন্তু মেডিকেল রিপোর্ট নর্মাল? আপনি জ্বিন-যাদুতে আক্রান্ত নন তো!

মেডিকেল রিপোর্ট নর্মাল থাকার পরেও থাইরয়েডের নিম্নোক্ত লক্ষণগুলো আপনার মধ্যে কি অল্প-বিস্তর রয়েছে?

১.. হঠাৎ ওজন হ্রাস: ক্ষুধা স্বাভাবিক থাকা সত্ত্বেও দ্রুত ওজন কমে যাওয়া ।
২. অকারণে ওজন বৃদ্ধি: খুব কম খাওয়া সত্ত্বেও সহজে ওজন বেড়ে যাওয়া ।
৩. অতিরিক্ত ক্লান্তি: পর্যাপ্ত ঘুমানোর পরও শরীর সবসময় দুর্বল ও অবসাদগ্রস্ত লাগা ।
৪. হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া: কোনো কারণ ছাড়াই বুক ধড়ফড় করা এবং হার্টবিট অনেক বেশি থাকা ।
৫. ধীর হৃদস্পন্দন: নাড়ির গতি বা হার্টরেট অনেক কমে যাওয়া ।
৬. গরম সহ্য করতে না পারা: সামান্য গরমেও অতিমাত্রায় ঘাম হওয়া ।
৭. ঠান্ডা সহ্য করতে না পারা: সাধারণ তাপমাত্রাতেও অন্যদের চেয়ে বেশি শীত লাগা ।
৮. উদ্বেগ ও খিটখিটে মেজাজ: সবসময় নার্ভাস ফিল করা এবং অল্পতেই রেগে যাওয়া।
৯. বিষণ্নতা ও ডিপ্রেশন: মন খারাপ থাকা এবং মানসিক অবসাদে ভোগা ।
১০. হাত কাঁপা: হাত ও আঙুলগুলোতে সার্বক্ষণিক সূক্ষ্ম কাঁপন হওয়া ।
১১. পেশী ও জয়েন্টে ব্যথা: শরীর বা হাত-পায়ের জয়েন্ট শক্ত হয়ে থাকা ও অনবরত ব্যথা ।
১২. অনিদ্রা: রাতে ঘুম না আসা বা ঘুমের চরম ব্যাঘাত ঘটা ।
১৩. অতিরিক্ত ঘুম ভাব: সারাদিন শুধু ঘুম পাওয়া এবং অলসতা লাগা।
১৪. শুষ্ক ও খসখসে ত্বক: ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা হারিয়ে অতিরিক্ত নিষ্প্রাণ হয়ে যাওয়া।
১৫. ত্বক পাতলা ও নরম হওয়া: ত্বক অতিরিক্ত পাতলা ও ভেজা ভেজা অনুভূত হওয়া ।
১৬. চুল পড়া: চুল শুষ্ক হয়ে গোড়া আলগা হয়ে অতিরিক্ত পরিমাণে ঝরে পড়া।
১৭. কোষ্ঠকাঠিন্য: হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যাওয়ার কারণে পেট ক্লিয়ার না হওয়া ।
১৮. ঘন ঘন মলত্যাগ বা ডায়রিয়া: হজম প্রক্রিয়া দ্রুত হওয়ায় বারবার বা পাতলা পায়খানা হওয়া ।
১৯. ভারী ও দীর্ঘস্থায়ী মাসিক: মহিলাদের ক্ষেত্রে মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তপাত হওয়া ।
২০. হালকা বা অনিয়মিত মাসিক: মাসিকের পরিমাণ অনেক কমে যাওয়া বা চক্র ঠিক না থাকা ।
২১. মুখ ও চোখ ফুলে যাওয়া: বিশেষ করে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মুখমণ্ডল ফোলা থাকা ।
২২. চোখ বাইরের দিকে ঠেলে আসা: অনেকের ক্ষেত্রে চোখ কোটর থেকে বাইরের দিকে বের হয়ে আসার মতো বড় দেখায়।
২৩ . ব্রেইন ফগ: যেকোনো কাজে মনোনিবেশ করতে না পারা,খেই হারিয়ে ফেলা।
২৪. এনিমিয়া: শরীরে রক্তশূণ্যতা তৈরি হওয়া।
২৫. মিসক্যারেজ: কোন কারণ ছাড়াই বারবার মিসক্যারেজ হওয়া।
২৬. গ্যাস্ট্রিক বৃদ্ধি পাওয়া: পেটে গ্যাস বৃদ্ধি পাওয়া।
২৭. বমি বমি ভাব: বমিবমি ভাব অথবা ক্ষুদামন্দা তৈরি হওয়া।
২৮. উচ্চ রক্তচাপ: কারণ ছাড়াই হাই ব্লাড প্রেসার দেখা দেওয়া।

আপনি মেডিকেল রিপোর্ট নর্মাল কিন্তু এ লক্ষণগুলো ৪/৫ টি লক্ষণ মিলে যায়, তবে রুক্বইয়া করুন। মূলত জ্বিন-যাদুর কারণেই আপনার এসমস্যাগুলো তৈরি হচ্ছে।