
রুকইয়ার পর সাংসারিক প্রশান্তি
হাজবেন্ড ওয়াইফের ৩ বছর যাবত মারাত্মক ঝগড়া চলছে, আবেগ-অনুভূতি সব মিটে গিয়েছে এক প্রকার , হাজবেন্ড কোনভালবেই ওয়াইফকে সহ্য করতে পারেন না, ভাল কথাতেও বাজেভাবে রিয়েক্ট করেন, শারিরীক ও মানসিক দু'ধরণের দুরত্বই উভয়ের মাঝে তৈরি হয়েছে।
এক পর্যায়ে ওয়াইফ বাবার বাড়িতে চলে আসতে বাধ্য হয়েছেন। হাজবেন্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাকে আর নেবেন না। তালাকের দিকে সংসার গড়াতে শুরু করে।
এমন অবস্থায় আল্লাহর ইচ্ছায় ওয়াইফ বুঝতে পারেন এসবই যাদুর প্রভাব। অবাক করা ব্যপার হলো তিনি বেশ প্রমাণও পান এই যাদু তার নিজ শাশুড়ীই করেছেন।
আমাদের সেন্টারে এসে বিস্তারিত সব ঘটনা আমাদের খুলে বলেন! আমরা বিস্তারিত সব শুনে স্পষ্টই বুঝতে পারি তিনি বিচ্ছেদের যাদুতে আক্রান্ত। রুক্বইয়া শুরু করি আমরা। অত:পর সাপ্লিমেন্ট দিয়ে দেই ব্যবহারের জন্য।
এক সপ্তাহ পর আপডেট জানালেন আমাদের। ৩ দিন আগে হাজবেন্ড এসে ওয়াইফকে তার বাড়িতে নিয়ে গিয়েছেন। ক্ষমা চেয়েছেন নিজের পূর্বের ভুলের জন্য। ৩ বছর পূর্বে যেমনটা ছিল সংসার, ঠিক তেমনি এখন ফিরে এসেছে। যাদু তার হাজবেন্ডকে পরিবর্তন করে দিয়েছিল,আলহামদুলিল্লাহ রুক্বইয়ার মাধ্যমে আল্লাহ তাদের এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটিয়েছেন।
আলহামদুলিল্লাহ রুক্বইয়ার পর আল্লাহ পুনরায় তাদের যেন নতুন সংসার দান করেছেন। আল্লাহ তাদের মুহব্বত ও পরষ্পরের দয়া বাড়িয়ে দিন।আমীন।
কয়েকটা বিষয় জানিয়ে রাখা এখানে জরুরি
• ওয়াইফ একাই এসেছে কেবল রুক্বইয়া করতে। আলহামদুলিল্লাহ উভয়েই সুস্থ হয়েছেন। বিচ্ছেদের যাদুতে যেকোনো একজন রুক্বইয়া করলে তাতে উপকৃত হওয়া যায়
• যাদু বিচ্ছেদ ঘটাতে পারে এব্যপারটা অনেকেই বুঝেন না, বুঝতেও চান না। অথচ সূরা বাকার ১০২ নং আয়াতে আল্লাহ স্পষ্ট করেছেন যাদু বিচ্ছেদ ঘটায়। সমাজে কতশত ডিভোর্স হয় এই যাদুর প্রভাবে, কেউ হয়ত বুঝতে পারে, কেউ বুঝতে পারে না।
• যাদু নিকটাত্মীয়ই করে, দূরের কেউ করে না, তাই তাদের থেকে সতর্কতা অবলম্বন করুন।