
রুক্বইয়াহ ডায়াগোনেসিস সেশন কেন নিবেন?
যেকোনো রোগ থেকে সুস্থতার প্রধানতম শর্ত হচ্ছে প্রপার ডায়াগনোসিস হওয়া। আজ আপনাদের সাথে তিনিটি ঘটনা শেয়ার করব ইন শা আল্লাহ, যারা কিনা সঠিক ডায়াগনোসিস এর অভাবে দীর্ঘদিন ভুগেছিলেন।
ক. আপুটার বাসা সাভারে। তিনি দীর্ঘদিন পেটের সমস্যায় ভুগেছিলেন। সমস্যার তীব্রতার ফলে হসপিটালেও ভর্তি ছিলেন। এত তীব্র সমস্যা অথচ মেডিকেল রিপোর্ট একেবারেই নর্মাল এসেছে। এদিকে খাওয়াদাওয়া বন্ধ, বমি বমি ভাব সারাক্ষণ। হসপিটাল এবং মেডিসিন মিলিয়ে প্রায় ২ লক্ষ টাকা খরচ করেছেন। আমরা এরপর রুক্বইয়া করার পর পেশেন্ট সেন্সলেস হয়ে গেল, বমি করলেন। রুক্বইয়ার পর ডায়াগনোসিস হলো তিনি যাদুতে এফেক্টেড & রুক্বইয়ার পর সুস্থতাও লাভ করলেন আলহামদুলিল্লাহ।
খ. একজন পেশেন্ট দীর্ঘদিন রুক্বইয়া করছিলেন। কিন্তু কোন রিয়েকশন আসেনি। তেমন ইম্প্রুভমেন্টও পাননি। পরবর্তী আমরা ডায়াগোনেসিস করলাম পেশেন্ট হত্যার যাদুতে এফেক্টেড & ইফরিত দ্বারা পজেসড। আলহামদুলিল্লাহ প্রবলেম বেইসড রুক্বইয়া করার পর পেশেন্টের বেশ ভাল রিয়েকশন আসা শুরু হয়।
গ. ঢাকার আজিমপুরের এক পেশেন্ট, যিনি চট্রগ্রামের একটা স্বনামধন্য রুক্বইয়া সেন্টারে যাওয়ার পর তাকে বলা হয়েছে তার বদনজর এর সমস্যা। রুক্বইয়া করা হয়েছে রিয়েকশন বা ইম্প্রুভমেন্ট তেমন কিছু বুঝেননি। আমরা হোমসার্ভিসে যাওয়ার পর ভালভাবে হিস্ট্রি নেই, সিম্পটম শুনি, আমাদের সামনে স্পষ্ট হয় পেশেন্ট মূলত জ্বিন ও যাদুতে এফেক্টেড। আমরা রুক্বইয়া শুরু করার পর পেশেন্টের পুরো শরীর থরথর করে কাপতে থাকে এবং অবস্থা এত তীব্র হয় যে পেশেন্ট সোফাতেই পেশাব করে দেয়।
আসলে যেকোন রোগ থেকে বের হওয়ার জন্য ৫০% কাজই করে দেয় প্রপার ডায়াগনোসিস। এই ডায়াগনোসিস সঠিকভাবে না হলে বছরের পর বছর মেডিকেল ট্রিটমেন্ট বা রুক্বইয়া নেয়া হবে কিন্তু বাস্তবিক সুস্থতা আসবে না। ডায়াগনোসিস সেশন গ্রহণ করা একারণেই জরুরি। আল্লাহ সর্বোত্তম তাওফিকদাতা।