
থাইরয়েড হরমোন ইমব্যালেন্সের রুক্বইয়াহ ও পরামর্শ
জ্বিনেরা খুবই কৌশলি হয়। তারা আপনার শরীর এমন সব অঙ্গকে টার্গেট করে যা আপনাকে খুব দ্রুত অসুস্থ করে তুলবে। থাইরয়েড গ্রন্থি জ্বিনের প্রধান টার্গেট এরিয়ার একটি। এই গ্রন্থিতে প্রভাব বিস্তার করে যদি ইম্ব্যালেন্স ঘটাতে পারে তবে সে সফল। থাইরয়েড গ্রন্থিতে শাইত্বানের প্রভাব বিস্তারের ফলে থাইরয়েড সাধারণ লক্ষণগুলো দেখা দিতে পারে:
• সব সময় ক্লান্ত লাগা
• হঠাৎ ওজন বেড়ে যাওয়া
• সবসময় ঠান্ডা লেগে থাকা
• ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া
• অতিরিক্ত চুল পড়া
• কোষ্ঠকাঠিন্য
• কারণ ছাড়াই মন খারাপ বা ডিপ্রেশন
• হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া
• হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া ( Palpitation)
• কারণ ছাড়াই অতিরিক্ত ঘামানো
• নার্ভাসনেস বা অস্থিরতা
• হাত-পা কাঁপা
• ঘুমের সমস্যা( Insomnia)
থাইরয়েড হরমোনের ইম্ব্যালেন্স এর সমস্যায় রুক্বইয়া শাইরইয়্যাহ
থাইরয়েডের ইম্ব্যালেন্সে আমাদেরকে দুটো অঙ্গকে টার্গেট করে রুক্বইয়া করতে হবে।
১. গলা
২. মাথা
আমাদের মস্তিষ্কের পিটুইটারি গ্রন্থি থেকে থাইরয়েড হরমোন নি:সরণ হয়। তাই গলার পাশাপাশি মাথাকেও টার্গেট করে রুক্বইয়া করতে হবে।
রুক্বইয়া সাজেশন
ক. এক বালতি পানিতে যাদুর আয়াতগুলো ( সূরা আরাফ: ১১৭-১২২ , সূরা ইউনুস ৮১-৮২, সূরা ত্বহা ৬৯) পড়ে ফু দিয়ে তা ৫/৭ মিনিট মাথায় ঢালা। নিয়মতান্ত্রিকভাবে ১৪ দিন এটা ফলো করা।
খ. রুক্বইয়া নিয়তে গলায় হাত দিয়ে সূরা ওয়াকিয়া এর ৮৩ নং আয়াত প্রত্যেক সালাতের পর ২১ বার পাঠ করা। নিয়মতান্ত্রিকভাবে ২১ দিন এটা ফলো করা।
গ. মাথায় হিজামা গ্রহণ করা। ৩ মাসে ৩ টি হিজামা সেশন গ্রহণ করা।
[ বি দ্র: আমরা একাধিক থাইরয়েডের পেশেন্ট ডিল করেছি। আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের নিকট রুক্বইয়া & হিজামা গ্রহণের পর তাদের এই সমস্যার সমাধান হয়েছে। থাইরয়েড হরমোনের ইম্ব্যালেন্স এর পেছনে শুধুই জ্বিন-যাদু দায়ী নয়, বরং আমাদের লাইফস্টাইলও অনেকক্ষেত্রে দায়ী। ]